Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

এবার শাবির সহকারী প্রক্টরকে অব্যাহতি

প্রক্টর ও ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা পদে পরিবর্তন আনার পর এবার সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহকারী প্রক্টরকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া সহকারী প্রক্টর পদে নিয়োগ পেয়েছেন চারজন। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেনের সই করা আলাদা অফিস আদেশে সহকারী প্রক্টর পদে নতুন নিয়োগ ও একজনকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় বুধবার। অফিস আদেশে সহকারী প্রক্টরের দায়িত্বে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিয়া মিজান চৌধুরীকে এই পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন বুধবার বলেন, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি রুটিন ওয়ার্ক। এর পেছনে অন্য কোন কারণ নেই। নতুন চারজনকে নিয়ে শাবি প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য এখন ১২ জন। সহকারী প্রক্টর পদে নতুন নিয়োগ পাওয়ারা হলেন-বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবদুল হালিম, নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জাভেদ কায়সার ইবনে রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল ও ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহেলী পারভীন। শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো প্রক্টরিয়াল বডিসহ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সবার অপসারণ দাবি করছেন শাবির আন্দোলনকারীরা। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রক্টর আলমগীর কবিরকে সরিয়ে নেয়া হয়। এর আগে সরানো হয় ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক জহির উদ্দিন আহমদকে। তবে শিক্ষার্থীদের মূল দাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ ইস্যুটি এখনও সুরাহা হয়নি। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিতের পর মঙ্গলবার থেকে শাবিতে অনলাইনে ক্লাস শুরু হয়েছে। সোমবার থেকে খুলে দেয়া হয়েছে হল। এ ছাড়া বুধবার থেকে শুরু হয়েছে স্নাতক প্রথম বর্ষের পঞ্চম ধাপের ভর্তি কার্যক্রম। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন বলেন, জরুরি সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক মঙ্গলবার থেকে অনলাইনে ক্লাস শুরু হয়েছে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল খুলে দেয়া হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে সশরীরে ক্লাস শুরু হতে পারে। গত ১৬ জানুয়ারি জরুরি সিন্ডিকেট সভা করে অনির্দিষ্টকালের জন্য শাবি বন্ধ ঘোষণা ও পরদিন দুপুর থেকে হল ছাড়ার নির্দেশনা দেন উপাচার্য। ওই দিন থেকেই উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। নির্দেশনা অমান্য করে হলেই অবস্থান করেন বেশিরভাগ শিক্ষার্থী। ২৭ দিন আন্দোলনের পর শনিবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন করে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন রোববার (২৮ দিন পর) নিজ কার্যালয়ে এসে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেন শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।
http://dlvr.it/SK44xt

Post a Comment

0 Comments