Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

অস্ট্রেলিয়ায় সৈকতে আটকে ৫১ তিমির মৃত্যু, আটকে আরও অর্ধশত

মঙ্গলবার পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে ১০০টির মতো তিমি সাগর থেকে তীরে চলে আসে৷ শত চেষ্টাতেও সাগরে ফেরানো যাচ্ছে না তাদের। ইতোমধ্যে ৫১টি তিমির মৃত্যু হয়েছে। বাকিদের সাগরে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। ফেসবুকে দেয়া এক বিবৃতিতে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পার্ক ও বন্যপ্রাণী অধিদপ্তর জানায়, মঙ্গলবার সকালে রাজ্যের দক্ষিণ উপকূলে লম্বা পাখনাওয়ালা পাইলট তিমির একটি বড় দল প্রথম দেখতে পাওয়া যায়। অ্যালবানির পূর্বের চেনেস সমুদ্র সৈকতের দীর্ঘ এলাকা জুড়ে এক সারিতে অবস্থান নেয় তারা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে রাতারাতিই ৫১টি তিমির মৃত্যু হয়েছে। বাকি ৪৬টি তিমিকে গভীর সমূদ্রে ফেরানোর চেষ্টায় নিয়োজিত রয়েছেন শত শত স্বেচ্ছাসেবী। বিশেষ কোনো কারণ ছাড়া তিমি কখনো তীরে আসে না৷ সাগরের জলরাশি ছেড়ে তীরে এসে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকা মানে তিমির অবধারিত মৃত্যু৷ ফলে সলিল সমাধিই হয়েছে তাদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, সাগর তীরে আটকে আছে বেশ কয়েকটি তিমি। তাদের কেউ অগভীর জলে শুয়ে আছে, কেউ লেজ নাড়াচ্ছে, আবার কেউ কেউ সারিবদ্ধভাবে স্থির হয়ে শুয়ে আছে। তিমি-রক্ষার বিশেষ দলকে সহায়তা করতে শত শত স্থানীয় মানুষও এসেছেন উপকূলে৷ ফলে বুধবার সৈকতে বিশাল জনসমূদ্র দেখা যায়৷ ভিড় কমানোর জন্য স্থানীয়দের সাগর পাড় থেকে সরে যেতে অনুরোধ করেছেন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকর্মীরা। লম্বা পাখনাওয়ালা পাইলট তিমি ২৫ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। কালো রঙ বিশেষ কপালের কারণে সহজেই তাদের চিহ্নিত করা যায়। দক্ষিণ গোলার্ধ এবং উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে এদের পাওয়া যায়। বন্যপ্রাণী গবেষক ভেনেসা পিরোত্তা বলেন, তিমিগুলো কেন তীরে এসেছে তার কারণ এখনও অজানা। সৈকতে আসার পর তাদের আচরণও স্বাভাবিক নয়। কোনো আক্রমণাত্মক তিমির তাড়া খেয়ে তারা সৈকতে চলে আসতে পারে। তিনি বলেন, পাইলট তিমিরা খুবই সামাজিক প্রাণী। কোনো একটি তিমিকে অনুসরণ করে বাকিরাও হারিয়ে যেতে পারে। ফলে দাঁতওয়ালা এই প্রজাতির তিমিদের দাঁতবিহীন তিমিদের চেয়ে সৈকতে আটকে পড়ার হার বেশি। অস্ট্রেলিয়ায় এর আগেও সাগর থেকে তিমিরা দল বেঁধে ডাঙায় চলে আসার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। গত সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া সৈকতে ২০০র মতো পাইলট তিমি আটকা পড়ে। সেগুলোর মধ্যে মাত্র ৩৫টি বেঁচে গভীর সমূদ্রে ফিরতে পেরেছিল। তবে ২০২০ সালে তাসমানিয়া সৈকতে পাইলট তিমির সবচেয়ে বড় প্রাণহানির ঘটনাটি ঘটে। সেবার অন্তত সাড়ে চারশ তিমি এ সৈকতে চলে আসে। গত সপ্তাহে স্কটল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমের একটির দ্বীপের উপকূলে ৫৫টি পাইলট তিমির একটি ঝাঁক চলে আসে। পরে সমূদ্রের ঢেউ তাদের সাগরে ভাসিয়ে নিয়ে যায়৷
http://dlvr.it/SsmTZl

Post a Comment

0 Comments