Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

নির্বাচন কঠিন ছিল, ইশতেহার পূরণে আরও সময় দরকার: জায়েদ

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে হ্যাটট্রিক জয় পেয়েছেন অভিনয় শিল্পী জায়েদ খান। আগামী ২০২২-২৪ মেয়াদের কার্যকরী পরিষদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী নিপুনকে হারিয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। শনিবার ভোরে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়ায় জায়েদ খান জানান, এবারের নির্বাচনটা নানাভাবে কঠিন ছিল তার জন্য। কথা বলেন নির্বাচনি প্রচারে দেয়া বিভিন্ন ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়েও। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনটা অনেক কঠিন ছিল আমার জন্য। অনেকগুলো চাপ, আমার মা মারা গেছেন, নির্বাচন নিয়ে অনেক বেশি ষড়যন্ত্র হয়েছে, ব্যক্তিগত আক্রমণ-আক্রোশ কাজ করেছে। তাই আমার মনে হয়েছে গত দুইটা নির্বাচনের পর এবারের নির্বাচন সবচেয়ে বেশি কঠিন ছিল আমার জন্য। অবশ্য নির্বাচনের পর সব ভুলে যাওয়ার কথা বলেন। বিশেষ করে মন্দ বিষয়গুলো মনে রাখতে চান না তিনি। জয় পেয়ে জায়েদ খান কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ভোটারদের প্রতি। বলেন, সবার দোয়ায় শিল্পীদের ভালোবাসায় আমি টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছি। ভোটের নিরপেক্ষতা ও পরিবেশটা দারুণভাবে মুগ্ধ করেছে আমাকে। সবাই সবার দায়িত্বটা পালন করেছেন। একটা প্যানেলের নেতৃত্বে ছিলেন মিশা সওদাগর ও জায়েদ খান। জায়েদের হ্যাটট্রিক জয় হলেও হেরেছেন গত দুই মেয়াদের সভাপতি মিশা সওদাগর। তাকে নিয়ে জায়েদ বলেন, দিন শেষে আমরা শিল্পীরা জয়ী হয়েছি। তবে অবশ্যই আমি আমার সভাপতিকে মিস করছি এবং মিস করব। যার সঙ্গে দুই মেয়াদের পথচলা, অবশ্যই একটা বোঝাপড়া তৈরি হয়, মায়া জন্মে যায়। প্রতিদ্বন্দ্বী নিপুণসহ সব প্রার্থীদের শুভকামনা জানান জায়েদ। যারা জয় পাননি, সবাইকে নিয়ে সমিতির কাজ করার, শিল্পীদের নিয়ে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। নবনির্বাচিত সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনের সঙ্গে কাজ করার ব্যাপারেও খুব উৎফুল্ল জায়েদ খান। তিনি বলেন, কাঞ্চন ভাই একজন গুণী মানুষ, আমাদেরই তো ভাই, মিশা-জায়েদ প্যানেলের সঙ্গে শিল্পী সমিতির উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। তবে তার সঙ্গে তো পথচলা হয়নি। আশা করছি আমরা একসঙ্গে অনেক কাজ করতে পারব। কাজের প্রক্রিয়া কেমন হবে তা এখনই বলতে পারছি না, সেটা সাজাতে হবে। কাঞ্চন ভাই এক সময় সমিতির সেক্রেটারি ছিলেন, তার অভিজ্ঞতা রয়েছে, ডিপজল ভাই আছেন, রুবেল ভাই আছেন, তাদের সঙ্গে একটা ভালো কিছু করতে পারব বলে আশা করি। আর যার কাজ করার ইচ্ছা থাকে, সে সব জায়গায় কাজ করতে পারে। জায়েদ খান মনে করেন, ইশতেহারে দেয়া দুই বছরে ২০-২২টা প্রতিশ্রুতি দুই বছরে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বলেন, এতো কাজ, এতো প্রতিশ্রুতি আসলে দুই বছরে পূরণ করা সম্ভব হয় না। অনেক কম সময় হয়ে যায়। পাঁচ বছর হলে ভালো হয়। তাই দ্রুতই সবাই নিয়ে কাজে নামতে হবে। জায়েদ খান বলেন, ভিন্ন ভিন্ন প্যানেল থেকে বিজয়ী হয়ে আসলে যেটা হয় যে, কার কেমন চাওয়া, কার কেমন বাসনা, সেটা প্রথমেই বোঝা যায় না। এটা ২১ জন মিলে মিটিং করার পর আমরা বুঝতে পারব আমাদের কাজের ধরন ও প্রক্রিয়া কেমন হবে। এবার নির্বাচিত হলে শিল্পীদের আবাসন ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করার কথা ছিল মিশা-জায়েদ প্যানেলের। বিষযটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন জায়েদ খান। জায়েদ খান বলেন, 'আমিও মানুষ, ভুল ত্রুটি থাকতে পারে, সেগুলো গঠনমূলকভাবে সমালোচনা করে আমাকে শোধরানোর চেষ্টা ও সুযোগ দেবেন, যেন ভালোভাবে কাজ করতে পারি। কিন্তু ব্যক্তিগত বিষয়গুলো মিথ্যাভাবে মানুষের সামনে উপস্থাপন করবেন না।
http://dlvr.it/SJ1GGs

Post a Comment

0 Comments