Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

পুঁজিবাজারে সত্যি সত্যি আরও বাড়ল চাপ 

চেক নগদায়ন করার সিদ্ধান্ত না পাল্টালে পুঁজিবাজারে চাপ আরও বাড়বে বলে স্টক ব্রোকাররা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসিকে যে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, সত্যি সত্যি তার নমুনা দেখা গেল পুঁজিবাজারে। কিছুদিন আগেও যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসইতে নিয়মিত দুই হাজার কোটি টাকার নিচে লেনদেন হতে থাকলেও টেনেটুনে এক হাজার কোটির টাকা পার করল। গত ১১ অক্টোবর স্টক ব্রোকারদের প্রতি জারি করা বিএসইসির এক নির্দেশনায় বলা হয়, চেকের টাকা নগদায়নের আগে তা দিয়ে শেয়ার কেনা যাবে না। নির্দেশনাটি আপাতদৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ মনে না হলেও সেটি পুঁজিবাজারে বড় চাপ তৈরি করেছে। পরের দিনই লেনদেন এক হাজার কোটি টাকার নিচে নেমে এসে হয় ৯৯৪ কোটি ১১ লাখ ৬২ হাজার টাকায়। এর পরের তিন কর্মদিবসে তা আবার হাজার কোটি টাকার ঘর ছাড়ালেও বাজারে গতি ফেরেনি। স্বল্প মূলধনি কিছু কোম্পানির উত্থান ছাড়া পুঁজিবাজার অনেকটাই নিষ্প্রাণ। শক্তিশালী মৌলভিত্তির কোম্পানির ক্রেতা নেই। বেঁধে দেয়া সর্বনিম্ন দর বা ফ্লোর প্রাইসে গড়াগড়ি খাচ্ছে অর্ধেকের বেশি কোম্পানি। পর্যায়ে মনে হচ্ছিল লেনদেন এর চেয়ে কমে যাবে। তবে শেষ মুহূর্তে কিছুটা ক্রয়চাপে সূচকের পাশাপাশি লেনদেনও কিছুটা বাড়ে। হাত বদল হয় এক হাজার ৫ কোটি ৯৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। এটি গত ৪৩ কর্মদিবসের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন লেনদেন। গত ১৪ আগস্ট ৬৪৪ কোটি ৪৫ লাখ ৩১ হাজার টাকার পর গত ১২ অক্টোবরই এর চেয়ে কম লেনদেন হয়েছিল। এর মধ্যে স্টক ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বা ডিবিএর পক্ষ থেকে ডিএসই ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসিকে চিঠি দিয়ে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে যে, চেক নিয়ে নির্দেশনা না পাল্টালে পুঁজিবাজারে চাপ আরও বাড়বে। চিঠিটি কয়েকদিন আগে দেয়া হলেও বিষয়টি জানাজানি হয় সোমবার পুঁজিবাজারে লেনদেন শেষে। আর মঙ্গলবার বাজারের চিত্রে এটা স্পষ্ট যে, বাজারে চাপ আরও বেড়েছে। চলতি সপ্তাহের দুটি কর্মদিবসে রোববার ১৫ এবং সোমবার ৬৫ পয়েন্ট পতনের স্মৃতি নিয়ে এদিন প্রথম দুই ঘণ্টায় সূচক ৪৭ পয়েন্ট কমে যাওয়ার পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা আরও বাড়ে। তবে বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১২ পয়েন্ট হারিয়ে শেষ হয় লেনদেন। এ নিয়ে তিন দিনেই পুঁজিবাজারে সূচক কমল ৯২ পয়েন্ট। দিন শেষে ডিএসইএক্সের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৪০০ পয়েন্টে, যা গত ৩৬ কর্মদিবসের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত ২৫ আগস্ট এর চেয়ে কম ৬ হাজার ৩৫৫ পয়েন্টে ছিল ডিএসইএক্স। দিন শেষে ৪৯টি কোম্পানির দর বৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ১০০টির দর আর ২২০টি কোম্পানি হাতবদল হয়েছে আগের দিনের দরে, যেগুলোর সিংহভাগই হাতবদল হয়েছে আগের দিনের দরে। আরও আসছে...
http://dlvr.it/SbGlFV

Post a Comment

0 Comments