Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

সমলিঙ্গের হাত ধরা ও চুম্বন মানতে রাজি কাতার

বিশ্বকাপের পর্দা উঠতে কয়েক ঘণ্টা বাকি থাকলেও বিতর্ক যেনো পিছু ছাড়ছে না আয়োজক দেশ কাতারের। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের দাবি এলজিবিটিকিউপ্লাস সমর্থকদের কিছু সুবিধা দিতে রাজি হয়েছে মুসলিম এ দেশটি। কাতারে সমকামিতা বেআইনি ও এর জন্য শাস্তির বিধান থাকলেও বিশ্বকাপ চলাকালে সমলিঙ্গেরা কাতার বিশ্বকাপে স্বাভাবিক ভঙ্গিতে হাত ধরতে পারবেন। আলিঙ্গন ও চুম্বনেও বাধা নেই। তবে লোকজনকে দেখানোর উদ্দেশ্যে এ কাজগুলো করা যাবে না। অনুমতি পেলেও এলজিবিটিকিউপ্লাস সমর্থকরা আশঙ্কা করছেন বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেলে তারা শাস্তির আওতায় আসতে পারেন। ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছে ফিফা। বিশ্বকাপে সমকামী সমর্থকদের গ্রেপ্তার করা থেকে দেশটির প্রিভেনটিভ সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তাদের বিরত থাকতে রাজি করেছে। ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, অপরাধীদের ধরতে মন্ত্রণালয়ের গুপ্তচরেরা ভক্তদের মধ্যে মিশে যেতে পারেন। যে ভয়টা পাচ্ছেন স্থানীয় এলজিবিটিকিউপ্লাস কমিউনিটির সদস্যরা। তাদের আশঙ্কা বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেলে বিপাকে পড়তে হতে পারে তাদের। কাতারের বসবাসকারী এক লেসবিয়ান সেক্রেটারি মেইল ​​অনলাইনকে বলেন, বিশ্বকাপ আমাদেরকে সম্ভবত এক মাসের জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা দিচ্ছে। পরে তারা আমাদের ধরবে ও মারধর করবে। আমাদের জেলে পুরবে। কারণ তারা ভাবে সমকামিতায় দেশের সম্মান ক্ষুন্ন হয়। তিনি আরও বলেন, একজন লেসবিয়ান হিসাবে আমি অন্য ভক্তদের মতো বিশ্বকাপ উপভোগ করব। আর আমি আমার বান্ধবীকে আলিঙ্গন করতে পারব না তা কোনভাবেই হবে না। সাময়িক এ ছাড়ের পরও দেশটিতে সমকামিতা নিষিদ্ধই থাকছে। ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব জেমস ক্লেভারলি গত মাসে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের সমর্থকদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তারা মুসলিম দেশ; আমাদের থেকে তাদের সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ রয়েছে। আমার মতে আপনি যখন কোনো দেশে পর্যটক হিসেবে যান তখন তাদের সংস্কৃতিকে সম্মান করাটা গুরুত্বপূর্ণ।
http://dlvr.it/Sd4KXh

Post a Comment

0 Comments