Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

অগ্নি-সন্ত্রাসীদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন

অগ্নি-সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। বুধবার রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে বিএনপি-জামায়াতের অগ্নি-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, মানবতার পক্ষে শীর্ষক এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে গণতান্ত্রিক সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধের দাঁতভাঙা জবাব দেয়ার আহ্বান জানানো হয়। কর্মসূচিতে অগ্নি-সন্ত্রাসে ভুক্তভোগীদের তালিকা পাঠ করা হয়।
বিভিন্ন পেশাজীবী, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, শিল্পী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি আমলা, চিকিৎসক, গার্মেন্টসের অধিকার আদায়কর্মী ও প্রকৌশলীরা এতে অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা চলছে। অন্যদিকে স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াত চক্র সন্ত্রাসের রাজত্ব করছে। তার শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ১৯৭১ সালে যেভাবে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, তারই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়। এরপর ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেডের নির্মম আঘাতে অনেকে নিহত হন। এভাবে ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫ সালে এবং সাম্প্রতিক সময়ে অগ্নি-সন্ত্রাস ও মানবতাবিরোধী অপরাধ চালানো হচ্ছে।
আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে আমরা ম্যান্ডেট দেব- মানবতার বিরুদ্ধে যারা অপরাধ করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি নুরুল হুদা বলেন, দেশে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা চলছে। অন্যদিকে শুরু থেকে স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াত চক্র সন্ত্রাসের রাজত্ব করছে। তার শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। আমরা যারা সৃষ্টিশীলতার কথা বলি, আমরা বলি মানুষের মধ্যে ভালোবাসা থাকবে। আমরা এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রকাশ করছি।
২৮ অক্টোবর নিহত পুলিশ সদস্য আমিরুল ইসলামের স্ত্রী রুমা আক্তার বলেন, আমিরুলকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, আমরা তার মুখটাও দেখতে পারিনি। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাই- আমিরুলকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, হত্যাকারীদের যেন তার চেয়েও কঠিন শাস্তি দেয়া হয়।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, বিবেকের তাড়না থেকে আমরা এখানে এসেছি। আমি সারাজীবন পোড়া রোগীর চিকিৎসা করেছি। রাজনৈতিক সহিংসতার জন্য যে পোড়া রোগী আমাদের কাছে আসে, এটা যে কী যন্ত্রণা! দয়া করে এভাবে মানুষকে নৃশংসভাবে পুড়িয়ে মারবেন না।
স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব কামরুল হাসান মিলন বলেন, আগুন-সন্ত্রাসীদের জন্ম খুনের মাধ্যমে। এই আগুন-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। আগুন-সন্ত্রাসের দাঁতভাঙা জবাব দিতে হবে। আমরা ৭ জানুয়ারি ভোটের মাধ্যমে এই জবাব দেব।
বঙ্গবন্ধু সংস্কৃতিক জোটের সভাপতি তারানা হালিমের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন অভিনয় শিল্পী সিদ্দিকুর রহমান ও সাজু খাদেম, অ্যাডভোকেট খোদেজা নাসরীন, নিহত নাহিদের মা রুনি বেগম, চট্টগ্রামে অগ্নিদগ্ধ সিকদার মোহাম্মদ প্রমুখ।


http://dlvr.it/T0vX3K

Post a Comment

0 Comments