Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

‘পুঁজিবাজার ভালো করতে’ বিএসইসির উদ্যোগের ‘প্রভাব নেই’

অর্ধেক কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার হলেও বাকিগুলোর এই সুবিধা উঠবে না জানিয়ে বাজার ভালো করতে বাজার সংশ্লিষ্টদের ডেকে নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির আলোচনার পরদিন আরও হতাশ করল পুঁজিবাজার। আগের দুই সূচকের পাশাপাশি লেনদেন কিছুটা বাড়লেও বৈঠকের পরদিন লেনদেন বাড়লেও কমেছে সূচক। যতগুলো কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে কমেছে হার তিন গুণ। ফ্লোর প্রাইস ভেঙে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা দেখা যায়নি। সদ্য সমাপ্ত বছরের শেষ মাসে পুঁজিবাজারের লেনদেনে খরা দেথা দেয়ার পর নতুন বছরে তা ঘুরে দাঁড়ানোর আশা করেছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা পুঁজিবাজার। কিন্তু বছরের প্রথম তিন দিন লেনদেন আরও তলানিতে নেমে দুই শ কোটির নিচে চলে আসে। এরপর পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের ডেকে বুধবার বৈঠক করে বিএসইসি। বৈঠকে ডিএসই ও সিএসই চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ কোম্পানি আইসিবি ও সংস্থাটির সব সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মার্চেন্ট ব্যাংকারদের সংগঠন বিএমবিএ, ব্রোকারেজ হাউসের মালিকদের সংগঠন ডিবিএ, সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। শীর্ষস্থানীয় কিছু ব্রোকারেজ হাউস, মার্চেন্ট ব্যাংক ও সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীদেরও বৈঠকে ডাকা হয় এতে। ব্র্যাক ব্যাংক, ইউসিবি, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা ট্রেজারি বিভাগের প্রধানদেরও ডাকে বিএসইসি। সব মিলিয়ে আসা দেড় শ জনকে ডেকে বিএসইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সবাইকে বাজার ভালো করতে নামতে হবে। আর যত দিন পুঁজিবাজারের স্বাস্থ্য ভালো না হলে ফ্লোর প্রাইস পুরোপুরি উঠবে না। বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, আমরা সবাইকে বলেছি দেশের পুঁজিবাজারের জন্য ইতিবাচক রোল প্লে করতে। গত দুদিন ধরে করছি। সেটা কাজে দিচ্ছে। আমরা সবাইকে নামতে বাজার ভালো করতে বলেছি। আশা করি সামনে দেশের পুঁজিবাজার ভালো হবে। আরেকটি বিষয় খুব স্পষ্ট করে দিয়েছি দেশের পুঁজিবাজার থেকে এখন ফ্লোর প্রাইজ উঠছে না। তবে এই বৈঠকের প্রভাব অন্তত প্রথম দিন পড়তে দেখা যায়নি। সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন নতুন বছরে প্রথমবারের মতো তিন শ কোটি টাকার ঘর অতিক্রম করলেও সূচক কমেছে ৮ পয়েন্ট। ৩৬টি কোম্পানির দর বৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ১৩২টির। ১৭০টি কোম্পানি লেনদেন হয়েছে আগের দিনের দরে। ৫১টি কোম্পানির একটি শেয়ারও হাতবদল হয়নি। সারা দিনে হাতবদল হয়েছে ৩১৮ কোটি ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকার শেয়ার, যা আগের দিন ছিল ২৯১ কোটি ১১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। অর্থাৎ পুঁজিবাজার ভালো করতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরদের তৎপরতা এমন কিছূ দেখা যায়নি। আরও আসছে
http://dlvr.it/SgPym4

Post a Comment

0 Comments